
তালবীনা
November 24, 2025
জ্বীন যাদুতে আক্রান্ত ব্যাক্তি
November 28, 2025সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য যিনি ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই। আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
👀 শুধুমাত্র “বদনজর হাসাদের” কারনে মানুষের শরীরে জ্বীন শয়তানের আছর হয়❗️
কিভাবে❓
🔹কয়েক মাস আগে বলেছিলাম যে মুরগীর চোখের পাওয়ার এবং মানুষের চোখের পাওয়ার অনেক তফাৎ মনে আছে❓প্রতিটা প্রাণীরই এরকম আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে।
🔸তেমনি জ্বীনও একজন মানুষের উপর লাগা বদনজরের প্রভাব তার চোখে দৃশ্যমান থাকে। সাধারণত যাদেরকে বদনজরের কারনে জ্বীন শয়তানের আছর হয় এদের কিন্তু শরীরে প্রচুর পরিমানে বদনজর বা হিংসা জমা হয়। এখন সে যদি ৫ ওয়াক্ত নামাজ তারপর বড় গোনাহ থেকে বেঁচে না থাকে জিকির আজকার না করে এবং তার কোনো টেলেন্ট থাকে যেমন পড়াশোনায় ভালো। এরকম মানুষদের শরীরে বদনজর জমা হয়ে হয়ে এটা হাসাদের পর্যায়ে চলে যায়।
• তখন কি হয়❓
🔹তখন জ্বীন শয়তান বুঝতে পারে যে এই ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করার মতো সুযোগ তৈরী হয়েছে। তখন জ্বীন শয়তান আশেপাশে এসে আরো হাসাদ মানে হিংসাত্মক বদনজর দিতে থাকে। এভাবে শয়তান প্রচন্ড ভয় রাগ হতাশা এরকম পরিস্থিতি তৈরি করে শরীরে প্রবেশ করে।
🔸এই ধরনের জ্বীনের আছরকে বলা হয় আঈন হাসাদের কারনে আসা জ্বীন। এই ধরনের জ্বীন গুলো হলো নিজেই যাদুকর হয়ে থাকে।
🔹এই ধরনের কারনে হওয়া আসা জ্বীনের উদ্দেশ্য কি থাকে?
✅ উদ্দেশ্য থাকে আপনার উপর মানুষের থেকে যে অনবরত বদনজর হাসাদ লেগেছে সেগুলোকে আরো বাস্তবায়ন করে এই শয়তান। বুঝতে পেরেছেন❓যেমন আপনি পড়ালেখায় ভালো ছিলেন এখন এই আঈন হাসাদের কারনে আসা শয়তান আপনার পড়ালেখা তো শেষ করবেই সাথে একেক করে আরো সমস্যা বাধা তৈরি করতে চাইবে। এবং এগুলো শরীরে থাকতে থাকতে আশিক্ব জ্বীনের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
📋এই পোস্টের সারমর্মঃ
১/ অনবরত বদনজর লাগা এবং বদনজরের রুকইয়া না করা কিংবা ফরজ ইবাদাত না করার কারনে আপনি অটোমেটিক জ্বীন শয়তানের টার্গেটে চলে আসবেন।
২/ জ্বীন শয়তান তখন নিজেই বদনজর আরো দিতে থাকবে এবং আপনার শরীরে আছর করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করবে।
৩/ শরীরে ঢুকার পর সে আপনাকে সিহরের গিঁট হুসুন হাসাদের গিঁট তৈরী করে রাখবে এবং আপনার যেই বিষয়ে বদনজর বেশি লেগেছিলো ঐ বিষয়ে অনেক সমস্যা বাধা তৈরী হবে।
✳️ আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন কেনো যাদু ছাড়াও মানুষের শরীরে জ্বীন শয়তানের আছর হয় এবং বদনজরের চিকিৎসা প্রাথমিক অবস্থায় না করলে এটা কি পরিমাণ ক্ষতিকর হতে পারে❗️
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, একমাত্র তিনি ছাড়া কোনো ইবাদাত পাওয়ার যোগ্য কেউই বা কোনো কিছুই নেই।




