আইবিএস (IBS) বা Irritable Bowel Syndrome এ হিজামা থেরাপি

হাঁপানি বা অ্যাজমা চিকিৎসায় হিজামা
April 17, 2026
ব্রন (Acne / Pimples) মুক্ত ত্বক পেতে সহায়ক হিজামা থেরাপি।
April 17, 2026
হাঁপানি বা অ্যাজমা চিকিৎসায় হিজামা
April 17, 2026
ব্রন (Acne / Pimples) মুক্ত ত্বক পেতে সহায়ক হিজামা থেরাপি।
April 17, 2026

আইবিএস (IBS) বা Irritable Bowel Syndrome এ হিজামা থেরাপি

আইবিএস (IBS) বা Irritable Bowel Syndrome এ হিজামা থেরাপি-

আইবিএস (Irritable Bowel Syndrome) হলো পরিপাকতন্ত্রের একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেখানে মূলত অন্ত্রের কার্যক্রমে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। এর ফলে অনেকের পেটে ব্যথা, গ্যাস, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া বা বারবার পেটের অস্বস্তির মতো সমস্যা হয়। জিন, যাদুগ্রস্হ পেশেন্টদের এই সমস্যা অনেক বেশি দেখা যায়।এছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বা হজমের সমস্যার কারণেও এই রোগের লক্ষণ বেড়ে যায়।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি সহায়ক থেরাপি হিসেবে এক্ষেত্রে হিজামা উপকারী।

আইবিএস সমস্যায় হিজামার উপকারিতা-
● পেটের ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে, কারণ হিজামা শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, যা পেটের ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতে ভূমিকা রাখে।
● হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তির সমস্যা কমাতে ভূমিকা রাখে।
● মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে, কারণ আইবিএসের অনেক সমস্যা মানসিক চাপের সাথে সম্পর্কিত।
● শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immune system) সক্রিয় করতে সাহায্য করে, যা শরীরকে বিভিন্ন সমস্যার সাথে লড়াই করতে শক্তিশালী করে।
● শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া (inflammation) কমাতে সাহায্য করে, যা অন্ত্রের প্রদাহ (intestinal inflammation) কমাতে ভূমিকা রাখে।

এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে-
● কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে হিজামা থেরাপি গ্রহণকারীদের মধ্যে পেটের ব্যথা, ফাঁপা ভাব এবং অনিয়মিত মলত্যাগের সমস্যা কমে।
● ২০১৭ সালে পরিচালিত একটি গবেষণায় আইবিএস রোগীদের উপর হিজামা থেরাপি প্রয়োগ করার পর অনেক রোগীর উপসর্গের উন্নতি দেখা যায়।
● ২০২০ সালে হিজামা ও প্রচলিত চিকিৎসার সমন্বয়ে করা একটি গবেষণায় দেখা যায় যে এটি অনেক ক্ষেত্রে ব্যথা ও হজমজনিত সমস্যার উপসর্গ কমায়।

আইবিএস সমস্যায় কিছু সাধারণ পরামর্শ-
● যেসব খাবারে পেটের সমস্যা বাড়ে সেগুলো এড়িয়ে চলুন, যেমন অতিরিক্ত তেল-মসলা, ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড, বেকারি খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও ক্যাফেইনযুক্ত খাবার।
● নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে পেটের গ্যাস বা হজমের সমস্যা কমে।
● একসাথে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাবার খান এবং খাবারের নির্দিষ্ট সময় বজায় রাখুন।
● মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন;

হিজামা একটি সহায়ক থেরাপি হিসেবে অনেকেই গ্রহণ করেন। তবে যেকোনো চিকিৎসা নেওয়ার আগে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।