
সাপ জ্বিনের রুকইয়াহ
December 3, 2025
হাড়ের ব্যাথা দূর করার রুকইয়াহ
December 6, 2025সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য যিনি ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই। আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
🕌 জ্বীন যাদুতে আক্রান্ত যারা নামাজ পড়তে অনেক অসুবিধা হয় যেমন নামাজের বিভিন্ন কিছু ভুলে যান, কিংবা নামাজে দাঁড়ালে শরীরে রিয়েকশন হয় তারা নিচের এই আমল গুলো করবেন।
1️⃣ অজু করে আসার পর যখন জায়নামাজে দাঁড়াবেন তখন প্রথমে সূরা মুমিনুনের [২৩ নং সূরা] ৯৭ নং এবং ৯৮ নং আয়াতে বর্ণিত দোয়াটি পড়বেন ১ বার।
• তারপরপরই এই দো’আটি ১ বার পড়বেনঃ
أَعُوْذُ بِاللهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ، مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ، مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
উচ্চারণ : আউজুবিল্লাহিস সামিয়িল আলিমি মিনাশ শাইত্বানির রাজিম; মিনহামযিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফছিহ।
অর্থ : ‘আমি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞাতা আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে তার প্ররোচনা ও ফুৎকার থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’
✅ তারপর আপনি আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করবেন।
🗓️ যতোদিন পর্যন্ত শয়তান আপনাকে নামাজ চলাকালীন ডিস্টার্ব করবে যেমন শরীরের রিয়েকশন হওয়া ভয় লাগা ভুলে যাওয়া ততোদিন আপনি এই আমলটি করবেন। ইনশা আল্লাহ
2️⃣ অনেক সময় কিছু কিছু জ্বীনের পেশেন্ট নামাজ শুরু করার পর দেখা যায় নামাজের জায়নামাজে বিভিন্ন দৃশ্য ভাসে বা ভয়ংকর কিছু ভাসে চোখে সেই ক্ষেত্রে আপনি যে আমলটি করবেন তা হলোঃ
১ বার আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজিম পড়বেন তারপর মাথাটা নিচে নামাবেন এবং চোখের মনিটা বাম দিকে নিবেন 👀 এবং জিহ্বাটা ঠোঁটের বাম দিকে নিয়ে ৩ বার শুধু ফুঁ দিবেন কোনো থুথু ছাড়া। খেয়াল রাখবেন আপনার মাথা যেনো ডানে বামে না যায়, 🕋 কিবলামুখী থাকতে হবে শুধু
👀চোখের মনি এবং ঠোটটা বাম দিকে নিবেন।
যতোবার আপনাকে নামাজে বেশি ওয়াসওসা দিবে বা এরকম কোনো দৃশ্য ভাসবে তখন এই আমলটি করতে পারবেন। এই আমলটি হাদীসে বর্ণিত রয়েছে।
3️⃣ ফরজ নামাজের সালাম ফিরানোর পরে যখন সুন্নাহ সম্মত আমল গুলো করবেন সেগুলোর বিশেষ দো’আটি পড়বেনঃ বাংলা অর্থটা শিখে নিয়েন যাতে আরবী পড়ার সময় বুঝতে পারেন কি বলতেছেন..
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।
আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ‘ইলমান না-ফি‘আ, ওয়া রিয্ক্বান ত্বায়্যিবা, ওয়া ‘আমালাম মুতাক্বাব্বালা
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, একমাত্র তিনি ছাড়া কোনো ইবাদাত পাওয়ার যোগ্য কেউই বা কোনো কিছুই নেই।




