...

আপনি নিয়মিত নামাজ পড়েন তবুও কেন বার বার যাদু রিনিউ করা হয় অনেকে বলেন “জাদু বারবার নতুন হয় কেন?”

আপনি নিয়মিত নামাজ পড়েন তবুও কেন বার বার যাদু রিনিউ করা হয় অনেকে বলেন “জাদু বারবার নতুন হয় কেন?”

“চিকিৎসা শুরু করলেই আবার অবস্থার অবনতি হয় কেন?” অনেকের মনে হয় যেন জিন দুর্বল হচ্ছে না।সত্যি বলতে-কখনো কখনো আপনার অনুভূতিটাই সঠিক!বিশেষ করে যখন-স্বপ্নে বারবার জাদুকরকে দেখতে পান। স্বপ্নে খেতে দেখা যায়। ঘরে নিয়মিত ছায়া-ভ্রম বা অদৃশ্য চলাফেরা দেখা যায় ঘর যতই সুরক্ষিত করুন, তবুও অস্বস্তি থেকে যায়।অবশ্যই আমি বলছি-যারা নামাজ, দোয়া, সকাল-সন্ধ্যার আমল ঠিকমতো করেন, তাদের ক্ষেত্রেই এসব লক্ষণ দেখা দিলে। কারণ কিছু নিদারুন সব দার্শনিক এসে বলবে- “এইটা হচ্ছে কারণ তুমি নামাজ পড়ো না… তুমি অমুক জিকির করোনি…” না ভাই- এখানে কথা বলা হচ্ছে সেই মানুষগুলোকে নিয়ে, যারা নামাজ-দোয়া ঠিকই পড়ে, তারপরও এভাবে আক্রান্ত হয়।

তাহলে সমস্যা কোথায়❓

সমস্যা হলো- কিছু জাদুকর খুব পাকা ও অভিজ্ঞ। তারা আক্রান্ত ব্যক্তি, শাইত্বান ও নিজেদের মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য যোগাযোগ-বন্ধন (এনার্জেটিক লিঙ্ক) তৈরি করে দেয়। এর ফলে- জিনদের শক্তি বাড়েঘরে বা শরীরে তাদের প্রভাব স্থায়ী হয় চিকিৎসা শুরু করলেই আবার নতুন করে শক্তি পায় তবে ভয় পাবেন না- এই ধরনের ঘটনা সব রোগীর ক্ষেত্রে হয় না, খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়।

সমাধান কী?

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর দরুদ পাঠ করুন চলুন, মূল সমাধানে আসি- এই দোয়াটি সকাল ও রাতে ১০০ বার পড়ুন:

اللَّهُمَّ اقْطَعْ بَيْنَ السَّحَرَةِ وَشَيَاطِينِهِمْ

বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ! জাদুকরদের সঙ্গে তাদের শয়তানদের সম্পর্ক ও যোগাযোগ কেটে দিন। এই দোয়া শয়তানদের ‘মদদ’ বন্ধ করে দেয় জাদুর ধারাবাহিকতা ও পুনর্নবীকরণ থামিয়ে দেয় রোগীর ওপর প্রভাব কমে যায় ঘরেও শান্তি ফিরে আসে-ইনশাআল্লাহ তিন দিন নিয়ম করে পড়ুন-তারপর আমাকে জানান, কী পরিবর্তন অনুভব করেছেন। আর উপকার পেলে দোয়া করতে ভুলবেন না। এইটুকুই চাওয়া।

সুস্থতার পথে সবাইকে সহায়তা করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

Quranic Treatment BD

সাম্প্রতিক পোস্ট