প্রাথমিক পর্যায়ের সেল্ফ রুকইয়াহ সাজেশন!

চুল পড়া বন্ধে হিজামার ব্যাবহার ও অন্যান্য উপকারিতা!
November 16, 2021
দূয়ার শক্তি!
January 4, 2022
চুল পড়া বন্ধে হিজামার ব্যাবহার ও অন্যান্য উপকারিতা!
November 16, 2021
দূয়ার শক্তি!
January 4, 2022

প্রাথমিক পর্যায়ের সেল্ফ রুকইয়াহ সাজেশন!


🩵 মহান আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি দয়মায়, পরম দয়ালু। 

🌷 প্রাথমিক পর্যায়ে বাসায় নিজে নিজে রুকইয়াহ করার গাইডলাইন। 🌸

পার্ট ১) প্রকৃত রুকইয়াহ :সেল্ফ রুকইয়াহ রুকইয়াহ করার আগে আমাদের যে সব বিষয় আগে ঠিক করে নিতে হবে সেগুলো হলো :


১) ৫ ওয়াক্ত সালাত (নামাজ) যথা সময়ে আদায় করে নিতে হবে। মানুষের শরীরে শয়তান প্রবেশ করার পর যেই সকল সমস্যা দেখা দেয় তার অন্যতম হলো নামাজে আলসেমী করা নামাজ পড়তে না পারা! এজন্য নামাজ যথাসময়ে সঠিকভাবে আদায়ের সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। নামাজ পড়তে কষ্ট হলে ইবাদাতে বাধার রুকইয়াহ গুলো শুনতে হবে।

🩵 নিজের ইসলামি আকিদা/বিশ্বাসে যেন কোনো ধরনের শির্কি বিশ্বাস, কুফুরী বিশ্বাস, নিফাকি যেন না থাকে। নিজের ঈমানকে বিশুদ্ধ্য করার জন্য এই বইটি কিনে পড়তে পারেন ইন শা আল্লাহ লিংকhttps://www.rokomari.com/book/366997/sohoz-islami-aqida


২) বোনদের পর্দা করতে হবে নন মাহরাম দের এড়িয়ে চলতে হবে। ইন শা আল্লাহ


৩) বড় ধরনের কবিরাহ গোনাহ যেমন গান বাজনা শোনা/নাটক সিনেমা/মুভি-সিরিয়াল দেখা বা আরো অশ্লীল কিছু দেখা থেকে নিজেদের কে দূরে রাখতে হবে। নতুবা জীন শয়তান থেকে আপনার মুক্তি পাওয়া সহজ হবে না। মনে রাখবেন জীন শয়তান নিজের শরীর থেকে বের না হওয়ার জন্য অন্যতম একটি বাধা হলো কবিরাহ গোনাহ করা। এই গোনাহ শয়তানকে আরো শক্তিশালী করে তুলে শরীরে দীর্ঘদিন ধরে থাকার জন্য।


৪) তাবিজ কবজ কাগজ সুতা মাদুল ইত্যাদি এরকম জিনিস শরীরে ঘরে থেকে থাকলে তা যথাযথ ভাবে নষ্ট করতে হবে। যাদু নষ্টের নিয়ম দেখুন এই লিংকে তাবিজ বা যাদুর জিনিসপত্র নষ্ট করার নিয়ম –Quranic Treatment BD – তাবিজ বা যাদুর তাবিজ বা যাদুর জিনিসপত্র নষ্ট করার নিয়ম

৫) জীবনে কোনো কবিরাজ/ফকিরের/যাদুকরের কাছে গিয়ে থাকলে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং ভবিষ্যৎে কখনোই তাদের কাছে যাওয়া যাবে না। ঘরে/শোকেজে পুতুল কিংবা ছবি টাঙানো থাকলে এগুলো সব ঢেকে রাখতে হবে বা সরিয়ে ফেলতে হবে। ঘরে/বাড়িতে যেকোনো ধরণের মূর্তি /স্ট‍্যাচু/ভাস্কর্য থাকলে সেগুলো ভেংগে ফেলে দিতে হবে। 

 

পার্ট ২) বাসায় নিজে রুকইয়ার গাইড লাইন :


প্রথমে আপনি জানবেন বদনজর/যাদুটোনা/জীনের আছরের লক্ষ্যণ গুলো কি কি। যেগুলোর ৩/৪ টি লক্ষ্যণ মিললে ধরে নিবেন আপনার সমস্যাটা সেই কারনেই হচ্ছে। জ্বীন যাদু / বদনজরের লক্ষ্যণ গুলো পড়ে দেখুন আপনার সাথে কি কি মিল রয়েছে নিচের লিংকে https://quranictreatmentbd.com/symptoms/

• এরপর যে রুকইয়া করবেন সেটা হলো
পানি পড়া/তেল পড়া তৈরী করবেন নিজেই।  ২ কিংবা ৫ লিটার পানি ভর্তি পানির বোতল নিবেন এবং কোরআন তিলাওয়াত করবেন প্রতিদিন [ পিরিয়ডের দিন ছাড়া] ১ ঘন্টা। শুরুতে সূরা ফাতিহা আর সূরা বাকারা ৩০ মিনিট পড়বেন তারপর বাকি ৩০ মিনিট আয়াতুল কুরসি এবং সূরা ইখলাস/ফালাক্ব/নাস এবং এই আয়াতগুলোও পড়বেন ৩ বার করে।

নিয়ত: হে আল্লাহ আমার উপর থাকা বদনজর, হিংসা, যাদু এবং সেগুলোর গিঁট বাতিল করে দিন এগুলোর অনিষ্ঠতা থেকে হেফাযত করুন। 

সূরা বাকারার ১০২ নং আয়াত ।

সূরা আরাফ আয়াত: ১১৬-১২২।

সূরা ইউনুস আয়াত: ৭৯-৮২।

সূরা ত্বহা আয়াত: ৬৫-৬৯।

সূরা আশ শুআরা আয়াত ৪৫-৪৬

সূরা ফাতিহা সূরা বাকারা এবং বাকি সূরা পড়ার মাঝে মাঝে আপনি ওই পানির বোতলে ফুঁ দিয়ে পানিটাকে রুকইয়াহ পানি বা পড়া পানি বানিয়ে ফেলবেন। সাথে তেল/মধুর মাঝে পড়ে ফুঁ দিয়ে তেল/মধু রুকইয়াহ তেল করে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ

❇️ সেই পড়া পানি প্রতিদিন আপনি পান করবেন।

❇️ সেই পড়া থেকে কিছু পানি পুরো ঘরে নিয়ে বা স্প্রের বোতলে ভরে বেডরুমে বিছানায় বালিশের উপর ছিটিয়ে দিবেন বা স্প্রে করবেন নিয়মিত। 


🚿আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো বরই পাতার রুকইয়াহ গোসল করা। এটা সপ্তাহে ৩ দিন করে মোট ১ মাস রুকইয়াহ গোসল করবেন। নিয়ম হলো : ৭ টা কাচা বরই পাতা (কুল বরইয়ের গাছের পাতা বা নর্মাল বরই গাছের পাতা) নিবেন এবং সেগুলো পিষবেন বা ব্লেন্ড করার পর সেই মিশ্রণটির উপর সূরা ফাতিহা ৩ বার আয়াতুল কুরসি ১ বার আর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস ৭ বার করে পড়ে পড়ে ফুঁ দিবেন। সূরা বাকারার ১০২ নং আয়াত । সূরা আরাফ, আয়াত: ১১৬ থেকে ১২২। সূরা ইউনুস, আয়াত: ৭৯ থেকে ৮২। সূরা ত্বহা, আয়াত: ৬৫ থেকে ৬৯। এই আয়াত গুলোও পড়ে ফুঁ দিবেন পিষা বরই পাতায়। তারপর যে বালতিতে গোসল করবেন সেই বালতিতে সেই পড়া পিষা বরই পাতার মিশ্রণটি বালতির 🪣 ভেতর ফেলবেন তারপর পানি ছেড়ে 🚰 বালতি ভরে গোসল করবেন। আর সামন্য পিষা বরই পাতা একটা গ্লাসে ঢেলে সেই পড়া পানির সাথে মিশিয়ে পান করে নিবেন। ⚠️বরই পাতার রুকইয়াহ তৈরী করার সময় মনে মনে নিয়ত করবেন এই বরই পাতার গোসলের মধ্য দিয়ে শরীরে থাকা যাদু গিট বদনজর হিংসা এই সমস্যা গুলো থেকে যেন মহান আল্লাহ শিফা দেন।

• রুকইয়ার অডিও শুনার সময় শরীরে যেসকল জায়গায় ব্যাথা/ মাংস লাফানো/জ্বলা এরকম বিষয় অনুভব করেছেন সেই সকল জায়গায় রুকইয়াহ গোসলের সময় একটু ম্যাসাজ করবেন। [⚠️ বিঃদ্রঃ আপনারা পড়া পানি তৈরীর সময় চাইলে পিষা বরই পাতার কাছে রেখে কুরআন মাজিদের আয়াত গুলো পড়ে ফুঁ দিতে পারেন। ]

🔹 যদি কেউ নিয়মিত বা প্রায় স্বপ্নে খেতে দেখেন এবং তারপর থেকে পেটের সমস্যায় ভোগেন সাথে জীবনেও নানান সমস্যা তৈরী হয় তাহলে আপনার উচিত পেট ক্লিয়ার করা। এটা খাওয়ানোর মাধ্যমে পেটে যাদু থাকার লক্ষণ। আপনি যা করবেন তা হলো ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানি পড়ে রাখবেন সূরা ইখলাস ফালাক্ব নাস ৩ বার করে পড়ে..পানিটা কিছু একটা দিয়ে বিসমিল্লাহ বলে ঢেকে রেখে ঘুমাবেন..স্বপ্নে কিছু খেতে দেখলে যখন ঘুম ভাংগবে তখন সাথে সাথে এই পানিটা পান করবেন বা কুলি করে খালি পেটে পান করবেন।

🟡 যারা পেটের যাদুতে আক্রান্ত [ঘুমের মাঝে শয়তান কতৃক প্রায়ই খাবার খাওয়ানোর স্বপ্ন দেখার মাধ্যমে কিংবা বাস্তবে খাবারে মিশ্রিত যাদু খেয়ে ফেলার কারণে] অর্থাৎ পেটে যাদু রয়েছে;

পেটের যাদু বের করার জন্য পড়া পানি তৈরীর নিয়মঃ

সূরা আন নিসা আয়াত : ১০

সূরা আন নাহল আয়াত : ৬৬

সূরা আন নাহল আয়াত : ৬৯

সূরা আন নাহল আয়াত : ৭৮

সূরা ফালাক্ব ১১ বার

1️⃣ “ফি বুতুনিহীম নারা” [অর্থঃ তাদের পেটে আগুন] সূরা আন নিসা আয়াত ১০

2️⃣ “মা ফি বুতুনিহা [অর্থঃ তা হতে যা তার পেটের মধ্যে আছে] সূরা আন নাহল আয়াত : ৬৬

3️⃣ “ইয়াখরুজু মিম বুতুনিহা” [অর্থঃ বের হয় তাদের পেট সমূহ থেকে] সূরা আন নাহল : আয়াত ৬৯

4️⃣ “ওয়াল্লাহু আখরাজাকুম মিম বুতুনি উম্মাহাতিকুম” [অর্থঃ আর আল্লাহ্‌ তোমাদেরকে নির্গত করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভ থেকে] সূরা আন নাহল : আয়াত ৭৮

আপনারা অবশ্যই আরবী আয়াত দেখে পড়বেন, শুধু বুঝার সুবিধার্থে এখানে বাংলায় দেওয়া হয়েছে। উপরে দেওয়া আয়াত গুলোর অংশবিশেষ প্রতিটা একটানা ৫ মিনিট পড়বেন। 

এই দো’আটি ২১ বার পড়বেন এবং পানিতে ফুঁ দিবেন হাল্কা থুথু মিশ্রিত: “আল্লাহুম্মা আখরিজ ওয়া দাম্মির কুল্লা সিহরিও ওয়া উকাদিস্‌ সিহরিল্‌ মাওজূদাতি ফিল জাসাদ, খাসসাতান আ‌ল্লাতী তাকাল্লাসাত্‌।”

ক্বুরআন মাজিদের আয়াতগুলো এবং দোয়াটি পড়া শুরু করার আগে নিয়ত করবেন: হে আল্লাহ আমার শরীর, পেট, অন্ত্রনালীতে থাকা সমস্ত খাওয়া, পান করানো যাদু, বদনজর, হাসাদ এবং এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত গিঁট গুলো বের করে দিন।

প্রতিটা আয়াত গুলো ৭ বার করে পড়বেন এবং ২ লিটার পানিতে ফুঁ দিবেন হাল্কা থুথু সহ।

পানি পড়া তৈরী করার সময় পানির বোতল রাখবেন মুখের কাছে যাতে আয়াত গুলো তিলাওয়াত করার সময় মুখের বাতাস পানিতে পৌঁছায়। তারপর আপনি সেই ২ লিটার পড়া পানি পেটের যাদু বের করার রুকইয়াহ [পোস্টের শেষাংশে রুকইয়া লিংক দেওয়া আছে] শুনতে থাকা অবস্থায় পান করবেন। সকালে কিছু খাওয়ার মিনিমাম ১ ঘণ্টা আগে খালি পেটে এই কাজটি করবেন। পেটের যাদু বের করার রুক্বইয়াহ করার সময় পেটে কেনো নড়াচড়া কিংবা গলায় কিছু আটকে আছে মনে হলে সেখানে বার বার হালকা করে চাপ দিতে থাকবেন এবং সূরা ফালাক্বের ৪ নং আয়াত রিপিট করতে থাকবেন বাংলা অর্থ সহ।

⚠️পেটের যাদু থাকলে আপনি শারিরিক অসুস্থতায় ভোগবেন এবং অবস্থা দিন দিন আরো খারাপ হতে পারে। তাই পেটের যাদু বের করার বিষয়ে সিরিয়াস হোন। পেটের যাদুর মাধ্যমে আপনার শরীরে থাকা শয়তান আক্রমণ করার, শরীরে থাকার জন্য নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করে এবং আপনাকে করা বাহিরের যাদু গুলোর কানেকশন তৈরী হয়। তাই আপনি পেটের যাদু বের করলে শয়তানের অবস্থানটাও অনেকটা দূর্বল হবে এবং পেটের যাদুর কারনে হওয়া শারিরিক রোগগুলো দূর হবে ইনশা আল্লাহ।

⚠️❛❛সব কাজে কর্মে/আয় রোজগারে/ উন্নতিতে বাধার যাদু গুলো সাধারণত পেটেও থাকে‼️❜❜

🔸কারো কারো বমি না হয়ে টয়লেটে যেতে হতে পারে। যদি এমন হয় সেটাও ভালো এতে করেও পেটের শেষ প্রান্ত কোলনে থাকা যাদু বের হয় টয়লেটের মাধ্যমে।

🔹এই রুকইয়াটি সকালে খালি পেটে বাথরুম শেষ করে, একদম খালি পেটে নিজে নিজে পড়ে পেটের যাদু বের করার পড়া পানিটা পান করবেন ইনশা আল্লাহ। ✅ এই আমলটি সপ্তাহে ২/৩ দিন করে 🗓️ মাসে সর্বোচ্চ মোট ১২ বার করবেন। যদি মনে হয় পেট একদম ক্লিয়ার হয়ে গেছে আর পেটে যাদু নেই তাহলে আর এই আমলটি করবেন না পরবর্তীতে একই রকম সমস্যা হওয়ার আগ পর্যন্ত।

✳️ পেটের যাদু বের করার রুকইয়াহ লিংকঃ

1️⃣ https://www.youtube.com/live/f33hfKHkpKs?si=ygMyx-sJxYtxXwCV

2️⃣ https://youtu.be/8ezPALGWWEQ?feature=shared

 🪣 পেটের যাদুর রুকইয়াহ করার আগে কাছে একটা বালতি বা এমন কিছু রাখবেন যেটাতে বমি করতে পারেন এবং বমি মেঝেতে বা অন্য কোথাও না লাগে। বমি করার পর বমিতে পড়া পানি ঢেলে দিবেন। ১০ মিনিট পর সেই বমি ভেসিনে ফেলে দিবেন এবং পানি ঢেলে ভেসিনটা পরিষ্কার করে নিবেন। 

💡যদি উপরে বলা নিয়ম অনুযায়ী কয়েক সপ্তাহ রুকইয়াহ শুনে পেটের যাদু বমি করে বের না হয় তাহলে সোনাপাতার রুকইয়াহ করবেন পেটের যাদু বের করার নিয়ত করে। নিয়মটা হলো সোনাপাতা যদি পেয়ে থাকেন তাহলে এটার পরিমান হবে এমন যাতে এক কাপ চায়ের মতো লিকার হয় পানিতে জাল দেওয়ার সময়। যদি সোনাপাতার গুড়ো ব্যবহার করেন তাহলে ১ চা চামচ ইউজ পানিতে জাল দিবেন। পানির পরিমান হবে ☕️ ২ কাপ চায়ের পানির পরিমান। সোনা পাতা পানিতে জাল দেওয়ার পর অবশ্যই অবশ্যই যেই আয়াতগুলো (পেটে থাকা যাদু বের করার জন‍্য পড়েছেন) ২ লিটার পানির বোতলে পড়ে পান করতে বলা হয়েছে সেই একই ক্বুরআনুল কারিমের আয়াতগুলো পড়ে পড়ে ফুঁ দিবেন জাল দেওয়া সোনাপাতার পানিতে। খালি পেটে পান করবেন। বিশেষ করে ভোরে খালি পেটে পান করলে ভালো হয়। এটা পান করার সময় এবং পেটের যাদুর রুকইয়াহ শুনার সময় শরীরের যেই অংশে রিয়েকশন করবে যেমন ব্যাথা ঠিক সেই অংশ চেপে ধরে থাকবেন যাদু বের করার নিয়ত করে। প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২ দিন এটা পান করবেন এর বেশি না। যেমন ৩ দিন পরপর খাবেন। এভাবে সর্বোচ্চ ২ বার সপ্তাহ খাবেন যারা পেটের যাদুতে আক্রান্ত এবং বমি করে পেটের যাদু বের করতে পারেন নি তারা। সমস্যা কমে গেলে আর এটা খাবেন না।  

আমাদের ২ টি ইউটুব চ্যানেল গুলোতে অনেক রুকইয়ার অডিও রয়েছে।

🔹 Quranic Treatment BD চ্যানেলের লিংক 

https://youtube.com/@quranictreatmentbd?si=laXtK18zvgCcJyz_

🔹 এবং Raqi Gazi Md Tanjil ইউটুব চ্যানেল লিংক https://youtube.com/@raqigazimdtanjil?si=NO_T2LHGq825GpAU

উপরে দেওয়া আমাদের ইউটুব চ্যানেল গুলো থেকে অনেক বিষয়েক রুকইয়ার অডিও গুলো পেয়ে যাবেন । এছাড়াও আমাদের এই ওয়েবসাইটেও রুকইয়ার অডিও ডাউনলোড করে শুনার ব্যবস্থা রয়েছে লিংকhttps://quranictreatmentbd.com/audio/

আমাদের ওয়েবসাইটে আরো নানান পরামর্শ রয়েছে রুকইয়াহ বিষয়ক। সেগুলোও চাইলে পড়তে পারেন ইন শা আল্লাহ। আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক: https://quranictreatmentbd.com/

রুকইয়াহ শুনার নিয়মঃ 🎧ইয়ারফোন লাগিয়ে, 🪑বসা অবস্থায়, চোখ বন্ধ করে, হাত পা ছেড়ে দিয়ে, অত‍্যন্ত মনযোগ সহকারে নিয়ত করবেন মহান আল্লাহ যেন যেই সমস্যার জন্য রুকইয়াটি শুনতেছেন সেই সমস্যা থেকে শিফা দেন হেফাযত করেন এবং আপনার উপর মানুষ ও জ্বীন শয়তানের সব ধরনের আঈন [বদনজর] হাসাদ [হিংসাত্মক বদনজর] সিহর [যাদু] উক্বাদ [গিঁট], বাঁধন, হুসুন [জ্বীনের সহ্য ক্ষমতা] দুরুও [শরীরের ভেতর জ্বীন শয়তানের তৈরী করা প্রতিরক্ষা ঘাটি সমূহ], ওয়াসওসা ধংস করে দেন।

⚠️ রুকইয়াহ চলাকালীন কফ থুথু আসলে সাথে সাথে ফেলবেন সেজন্য কাছে মগ বা কোনো পাত্র রাখবেন। বমি আসলে বমি করার চেষ্টা করবেন

🟧 শয়তান শরীরে ঢুকার পর গিট তৈরী করে শরীরের ভেতর। সেজন্য শরীরে থাকা শয়তানের হুসুন ধংসের রুকইয়াহ/গিট নষ্টের রুকইয়াহ/ যাদুর গিট নষ্টের রুকইয়াহ গুলো নিয়মিত শুনবেন। সেই সাথে জ্বীন শয়তান রোগীকে অনেক বদনজর দেয় হাসাদ (হিংসা) দেয়। ফলে রোগী দৈনন্দিন কাজে ইবাদাতে অনেক বাধা প্রাপ্ত হয়। সেজন্য প্রথম ১ মাস অন্যান্য সমস্যার রুকইয়াহ শুনার পাশাপাশি বদনজর/হাসাদ ধংসের রুকইয়াহ শুনা উচিত। সমস্যা অনুযায়ী রুকইয়ার অডিও গুলো শুনবেন প্রতিদিন। রুকইয়াহ নিয়ম গুলো ফলো করবেন। এভাবে যতোদিন না পুরোপুরি সুস্থ্য না হন ততোদিন রুকইয়াহ করতেই থাকবেন ইন শা আল্লাহ।

🔷 সবসময় প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর সূরা ইখলাস সূরা ফালাক এবং সূরা নাস ১ বার পড়বেন আর আয়াতুল কুরসি ১ বার পড়বেন ইন শা আল্লাহ 🔷


✳️ ভোরের ও বিকেলের আমল ✳️
ফজরের সময় আর আছরের সময় সূরা ইখলাস সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পড়বেন ৩ বার করে আর আয়াতুল কুরসি পড়বেন ১ বার করে। এটা হলো নিরাপওার জন্য রাসূল ছাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া ছাল্লাম এর শিখানো আমল। এই আমল ২টি প্রত্যেক দিন ফজরের সময় এবং আছরের সারাজীবন করবেন ইন শা আল্লাহ। এছাড়াও সকাল বিকেলের বাকি আমল গুলো জানার জন্য এই বইটি কিনতে পারেন ইন শা আল্লাহ। লিংকhttps://www.rokomari.com/book/102516/hisnul-muslim-jikor-doya-chikissa

🌃 *রাতে ঘুমানোর আগে কিছু সুন্নাহ আমল* 🌙

১ নং আমলঃ আয়াতুল কুরসি ১ বার পড়বেন।
২ নং আমলঃ ২ হাত মোনাজাতের 🤲 মতো করবেন এবং ফুঁ দিবেন তারপর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক সূরা নাস পড়বেন এবং মাথার তালু থেকে পায়ের তালু পর্যন্ত পুরো শরীর মুছবেন। আবার দুই হাত 🤲 ওভাবে করবেন ফুঁ দিবেন তারপর সূরা ইখলাস ফালাক নাস পড়বেন এবং শরীর মাথা থেকে পা পর্যন্ত মুছবেন। আবারও একই জিনিস করবেন অর্থ্যাৎ মোট ৩ বার করবেন আমলটি।
৩নং আমলঃ সম্ভব হলে অজু করে ঘুমাতে পারেন।

৪নং আমলঃ সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়া। (২৮৫/২৮৬ নং আয়াত)

৫নং আমলঃ রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই “বিছমিল্লাহ” বলে বিছানা ঝেড়ে নিবেন   ইন শা আল্লাহ। 

⚫️ বোনদের পিরিয়ড শুরুর আগেই পানি পড়ে রাখবেন আর পিরিয়ড চলাকালিন একটু একটু ব্যবহার করবেন যাতে পিরিয়ড শেষ হওয়ার আগেই পানি ফুরিয়ে না যায়। ইন শা আল্লাহ।

⬛️ যাদের শরীরে জ্বীন শয়তান আসক্ত (আশিক জ্বীন) হয়ে আছে এবং ঘুমে বা জাগ্রত অবস্থায় শারিরিকভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করে তারা নিচে দেওয়া লিংকে গিয়ে এটা থেকে বাঁচার আমলটি করবেন। লিংক https://quranictreatmentbd.com/%E0%A6%B6%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4/


♻️ প্রতি জুমুআ’বারে (শুক্রবার) “সূরা কাহাফ” তিলাওয়াত করবেন ইন শা আল্লাহ। বোনদের মধ্যে যাদের জুমুআবারে পিরিয়ড থাকবে, তারা ইউটুব থেকে সূরা কাহাফ তিলাওয়াত শুনে নিবেন। সূরা কাহাফ প্রতি জুমুআবারে তিলাওয়াত করা সাধারণ মানুষ কিংবা জ্বীন যাদুতে আক্রান্তরা সবার জন্য জরুরী এবং উপকারী। 

🟢 দো’আ হলো সবচেয়ে বড় রুকইয়াহ! যে সময়ে দো’আ কবুল হয় যেমন আযানের পরপরই/বৃষ্টির সময়/শেষ রাতে/নফল বা সুন্নাত নামাজের সিজদায়/জুমু’আর দিন আছরের পর মাগরিবের ৩০ মিনিট আগে সেই সময় গুলো তে বেশি করে আপনার সমস্যা গুলো মুক্তির জন্য দো’আ করবেন অন্য মুসলিম ভাইবোনদের জন্য দো’আ করবেন তাহলে মালাইকারা (ফেরেশতারা) আপনার জন্যও একই দো’আ করবে। দো’আর শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা এবং দুরুদ পড়ে নিবেন।

দো’আ করবেন আপনার সমস্যা অনু্যায়ী এরকম যেমন –

হে আল্লাহ সমস্ত প্রশংসা আপনার জন্য এবং সকল কৃতজ্ঞতা আপনার জন্য। আল্লাহ মহান, অতি মহান, আল্লাহ তাআলার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা এবং সকাল-সন্ধ্যা আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদ।

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দোয়া করি এবং জানি যে, আপনিই আল্লাহ, আপনি ব্যতিত কোনোসত্য মাবুদ নেই, আপনি এক, অদ্বিতীয়, সকল সৃষ্টিই আপনার মুখাপেক্ষী, আপনি মুখাপেক্ষীহীন। যিনি কাউকেই জন্ম দেন নি, কারো থেকে জন্ম নেন নি এবং যার কোনো সমতুল্য কেউ নেই।’

হে আল্লাহ, আপনি আমার পেটে থাকা শরীরে থাকা জ্বীনের সমস্ত হুসুন দুরুও গিঁট প্রতিটা হাড়ে, শরীরে প্রতিটা জয়েন্টে, প্রতিটা শিরা উপশিরায়, রক্তে,প্রতিটা স্নায়ু তন্ত্রে, পেটে পাকস্থলীতে থাকা যাদুর এবং শয়তানের গিঁট, পেটের বড় আন্ত্রে ছোট অন্ত্রে, মেরুদন্ডে, মাংশপেশিতে, কোলনে, জরায়ু, লজ্জাস্থানে, কল্বে, পিঠে, মেরুদন্ডে, হাঁটুতে, পায়ের মাংশ পেশিতে, পায়ের পাতাতে, হাতে পায়ের আঙুলের মাথা, আঙুলের মাঝে , আঙুলের প্রতিটা জয়েন্টে, কনুইয়ের নিচে, বগলের নিচে, ২ হাতের কব্জিতে, কানের উপরে নিচে থাকা গিঁট, ঘাড়ে থাকা গিঁট, পিঠে থাকা যাদুর গিঁট আঈন হাসাদের গিঁট, বুকে থাকা গিঁট, মাথার সামনে পিছনে, মাথার ২ পাশে এবং মাঝখানে, কানে চার পাশে, চোখের চার পাশে, থাকা শয়তানের গিঁট যাদুর গিঁট, আঈন হাসাদের গিঁট, গিঁটের বাধন সমূহ ধংস করে দিন। ইয়া আল্লাহ শরীরে থাকা আঈনের গিট হাসাদের গিট ধংস করে দিন। ইয়া আল্লাহ অসুস্থতার যাদু ধংস করে দিন। হে আল্লাহ আমার উপর করা মূল বস্তুগত যাদু এবং সেই যাদুতে থাকা গিঁট সহ যাদুটা যেখানেই থাকুক যেই অবস্থায় থাকুক যাদুর খাদেম শয়তান সহ ধংস করে দিন। ইয়া আল্লাহ আপনি আমার উপর করা সমস্ত যাদু সমস্ত বদনজর হাসাদ ধংস করে দিন এবং আমাকে শিফা দিন, শরীর থেকে জ্বীন শয়তানকে বের করে দিন।

আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদ।

হে আল্লাহ আপনি পবিত্র ও সুমহান, সকল ক্ষমতার অধিকারী। আর শান্তি বৰ্ষিত হোক রাসূলগণের প্ৰতি। সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।”

• এভাবে উপরে দেওয়া উদাহরণের মতো আপনাদের যার যার যে সমস্যা রয়েছে সেগুলো দো’আতে আল্লাহকে বলবেন। নিয়মিত দো’আ করবেন এটা অনেক উপকারে আসবে ইন শা আল্লাহ। 

🔎 যারা যাদুতে আক্রান্ত তারা সকালে বা অন্য যেকোনো সময় যখন ঘরের বিছানা বা আসবাবপত্র গোছাবেন তখন সূরা ফালাক এবং সূরা নাস বার বার পড়তে থাকবেন। এতে করে বেড রুমে বা ঘরে যাদু রাখা থাকলে আল্লাহ চাইলে আপনার চোখে সেটা ধরা পড়তে পারে পেয়ে যেতে পারেন। 


🌹সবর (ধৈর্য্য) ধরা : আমাদের পুরো জীবনটাই হলো পরীক্ষা..মহান আল্লাহ বলেন “আর আমরা তোমাদেরকে অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদেরকে। যারা তাদের উপর বিপদ আসলে বলে, ‘আমরা তো আল্লাহ্‌রই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।”

      সূরা বাকারা আয়াত ১৫৫-১৫৬

🟢 জ্বীন যাদু কিংবা বদনজরের সমস্যা থাকলে রুকইয়াহ শুনার সময় নানান রকম রিয়েকশন হবেই। রুকইয়াহ করার কয়েকদিন পর শরীর খারাপ করলে ভয় পাবেন না হাল ছাড়বেন না বরং এটা কাজে দিতেছে শয়তান কষ্ট পাচ্ছে এবং সমস্যা সমাদান হতে শুরু হয়েছে ভেবে খুশি এবং দৃঢ় মনে করে রুকইয়া চালিয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ।

⚪️ সম্পূর্ণ আশা ভরসা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলার উপর করবেন। মনে রাখবেন আল্লাহ চাইলে মূহুর্তেই আপনি ভালো হয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ। সবসময় মনে রাখবেন সুস্থ্য করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। মহান আল্লাহ বলেন “[ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম বলেছিলেন] এবং আমি যখন অসুস্থ হয়ে পড়ি তখন তিনিই [মহান আল্লাহ] আমাকে সুস্থ করে তোলেন।”

 (সূরা আশ শোয়ারা আয়াত-৮০)

♻️ হিজামা (Cupping) খুবই উপকারী একটা চিকিৎসা যেকোনো মেডিক্যাল রোগ বা জ্বীন যাদুর বা বদনজরের জন্য। আপনারা বছরে ৩/৪ বার হিজামা করাতে পারেন অভিজ্ঞ হিজামা থেরাপিস্টের মাধ্যমে। মহিলারা  মহিলা হিজামা থেরাপিস্ট দিয়ে হিজামা করবেন।

 

পার্ট ৩) : কিছু বিষয় ভিওিক গুরুত্বপূর্ণ রুকইয়াহ অডিওয়ের লিংকঃ 

শরীরে থাকা শয়তানের দূর্গ ধংস করার রুকইয়াহ:https://youtu.be/BQzS5RTrvyg

নামাজে শয়তানের বাধা দূর করার রুকইয়াহ :
https://www.youtube.com/live/wTX4h3DgQBQ?si=tAt5yKixcrgRRerl

বিচ্ছেদের যাদু ধংসের রুকইয়াহ :
https://youtu.be/kQssOyRdqBs

অসুস্থ্যতার যাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ : https://youtu.be/DaBF7iHhJms

বদনজরের রুকইয়াহ :
https://youtu.be/ETzTcPebZjQ

শয়তানের হাসাদ (হিংসা) ধংসের রুকইয়াহ https://youtu.be/EwfVlRB0fSk

পেটের যাদু বের করার রুকইয়াহ :

লিংক (১)https://www.youtube.com/live/R5KxQWf0dxs?si=yjtVmIfnwu7DRFjq

লিংক (২) https://www.youtube.com/live/f33hfKHkpKs?si=BXeeWGClqGdf3RjR

লিংক (৩) https://www.youtube.com/live/cA6LD8I6_5I?si=oN3ttkXsJN46rCJF

ঘুমের মধ্যে স্বপ্নের মাধ্যমে খাওয়ানো যাদু নষ্টের রুকইয়াহ https://youtu.be/7mN0bKhN8E4

ঘুমের সমস্যা [ঘুম না হওয়ার দূর করার] রুকইয়াহ https://youtu.be/39yOROarP-U

বিয়ে বন্ধের যাদু ধংসের রুকইয়াহ https://www.youtube.com/live/VaHyRVxMVRA?si=atsBqpd7rN1-HNgK

সকল গিঁট নষ্টের রুকইয়াহ https://youtu.be/qFQ4Ixu4-nQ

জ্বীনের শরীরে বসবাসের স্থান এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নষ্টের রুকইয়াহ :
https://www.youtube.com/live/1JNDtQBMuvs?si=-GHCGD1X_sp-8GA2

অলসতা ও দূর্বলতার যাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ https://youtu.be/OGTGClR_wbU

সবকিছুর উপর থেকে বদনজর হিংসা দূর করার রুকইয়াহ https://www.youtube.com/live/cAyWT_frZms?si=62EC72Rvz2YConGw

আয় রোজগারের উপর জ্বীন যাদুর বাধা ধ্বংসের রুকইয়াহ https://youtu.be/LAtfp9xJWNQ

পিরিয়ডের সমস্যা দূর করার রুকইয়াহ https://youtu.be/EKcuAAID-OI

সাধারণ রুকইয়াহ ও অসুস্থ্যতা থেকে শিফার রুকইয়াহ :

লিংক ১) 

https://youtu.be/BFPkzD0wjBI

লিংক ২)

https://youtu.be/VCtieXh_7qY

আশিক জেনাকারী শয়তানের রুকইয়াহ : https://youtu.be/1Llg0rqm-Mk

পড়াশোনার উপর হিংসা/যাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ : https://youtu.be/lbmiBPrbqf4

যাদুটোনায় আক্রান্ত রুকইয়াহ : https://youtu.be/AXzv7qN07Uc

শয়তানকে কষ্ট দেওয়ার রুকইয়াহ :https://youtu.be/EwfVlRB0fSk

ভয় ভীতি দূর করার রুকইয়াহ :https://youtu.be/A7KZNIag1lA

মাথায় বসবাস কারী শয়তানের রুকইয়াহ:https://youtu.be/fuct81hDjYA

চুল পড়া দূর করার রুকইয়াহ :https://youtu.be/G88T7GOEzBk

বাচ্চা না হওয়ার যাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ : https://youtu.be/ltCb_rVk_tM

শয়তানকে কষ্ট দেওয়ার রুকইয়াহ :https://youtu.be/uXrxA5EPm3M

আজানের মাধ্যমে রুকইয়াহ :https://youtu.be/Gf8yjNxBo8s

যাদুকরদের বিরুদ্ধ্যে অভিশাপের দো’আ : https://youtu.be/63XVRbl9OmI

খুরুজ তথা জ্বীন শরীর থেকে বের করার রুকইয়াহ : 

লিংক ১) https://youtu.be/PGyhnns2zew

লিংক ২)https://youtu.be/1-4nYYy6rY8

এপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার নিয়মঃ
.
নূন্যতম ৩ দিন আগে কল দিয়ে সিরিয়াল বুক করতে হয়। তবে খালি থাকা সাপেক্ষে ইমার্জেন্সী সিরিয়াল তথা যেদিনের সিরিয়াল সেদিনও মোবাইলে যোগাযোগ করে দেওয়া যায়।
কল দিবেন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে নিম্নোক্ত নম্বরে।
     .
📞 01763 951  371
📞  01833 406 632
    .
সেন্টারের লোকেশনঃ
.
  রোড ১৯, বাসা ৫৫ (২য় তলার বামপাশে) রুপনগর আবাসিক, মিরপুর-২, ঢাকা ১২১৬
.
 গুগল ম্যাপ লোকেশন:
.
.
সোশ্যাল মিডিয়া:
.
❇️ টেলিগ্রাম: https://t.me/quranictreatmentbd
❇️মেসেঞ্জার: 📮 http://m.me/QuranicTreatmentBd
❇️ ট্রেনিং গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/833450798461695/ 
❇️ পেশেন্টদের রিভিউ:  https://www.facebook.com/groups/623845769646953/
❇️  রুকইয়াহ সাজেশন: https://www.facebook.com/groups/QuranicTreatmentBD/
.
যারা কুরআন-হাদিস অনুযায়ী শরঈয়তসম্মত এই চিকিৎসা জানে না তাদের কাছে আমাদের লিংকগুলো শেয়ার করে পৌছে দিন।
আপনার একটি শেয়ারের মাধ্যমে যদি কেউ উপকৃত হয়।