...

❝ঈদে মিলাদুন্নবী- ভালোবাসার নামে বিদআত, জ্বীন ও যাদুর ফাঁদ❞

🌷রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রতি ভালোবাসা প্রতিটি মুসলিমের ঈমানের অংশ। তবে সেই ভালোবাসা প্রকাশের সঠিক পথ হলো তাঁর দেখানো সুন্নাহ মেনে চলা, বিদআত বা নতুন উদ্ভাবিত অনুষ্ঠান চালু করা নয়। বর্তমানে অনেক স্থানে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়, অথচ কুরআন-সুন্নাহ কিংবা সাহাবাদের যুগে এ ধরনের কোনো আয়োজনের প্রমাণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে—এই উদযাপনের সাথে কি জ্বীন ও যাদুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে?

💐ঈদে মিলাদুন্নবীর উৎপত্তি

রাসূল ﷺ, সাহাবা (রা.) বা খোলাফায়ে রাশেদীন কেউ এ দিবস পালন করেননি।

ছয় শতাব্দী পর মিশরের ফাতেমী শিয়া শাসকেরা প্রথম এটি উদ্ভাবন করে।

তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি বিদআত – যা ইসলামের মূল শিক্ষা থেকে বিচ্যুতি।

▪️বিদআত, জ্বীন ও যাদুর সম্পর্ক

কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিদআত ও শির্ক হলো শয়তানের সবচেয়ে প্রিয় কাজ।

যেখানে বিদআত হয়, সেখানে শয়তানের দখল সহজ হয়।

মিলাদ মাহফিলে অনেক সময় কবির কবরে ধূপ-আগরবাতি, অতিরঞ্জিত গান, নাচ-গান, আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে মানত ইত্যাদি করা হয়।

এসব কাজ শুধু গুনাহ নয়, বরং জ্বীনকে আহ্বান করার মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়।

ফলে দেখা যায়, যারা নিয়মিত এ ধরনের বিদআতে জড়িত থাকে তাদের জীবনে জ্বীনের আসর, যাদুর প্রভাব ও মানসিক অশান্তি বেশি দেখা যায়।

▪️রাসূল ﷺ এর প্রকৃত ভালোবাসার পথ

তাঁর জন্মদিন উদযাপন নয়, বরং তাঁর সুন্নাহ বাস্তবায়ন করাই প্রকৃত ভালোবাসা।

আল্লাহ একাই উপাস্য—এ বিশ্বাসে অটল থাকা।

সকাল-সন্ধ্যার যিকির, কুরআন তেলাওয়াত, রুক্বিয়াহ শারইয়্যাহ এবং নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া।

বিদআত ও কুসংস্কার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে শির্ক ও যাদুর ক্ষতি থেকে রক্ষা করা।

▪️ঈদে মিলাদুন্নবী ইসলামে অনুমোদিত কোনো দিবস নয়। এটি ইতিহাসে পরবর্তীতে উদ্ভাবিত একটি বিদআত। বিদআত ও শির্কের আসরে জ্বীন-যাদুর প্রভাব বৃদ্ধি পায়, যা মানুষের ঈমান, দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর। তাই একজন সচেতন মুসলিমের উচিত—এসব অনুষ্ঠান থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর দেখানো সোজা পথ অনুসরণ করা।

@Quranic Treatment bd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *