ছিটানো জাদু (سحر المرشوش): লক্ষণ, বাস্তবতা ও করণীয়-

রিযিকে বাধার যাদু কী? এবং কিভাবে ইহার প্রভাব পতিত হয় এবং রিযিক বৃদ্ধি করার পদ্ধতি।
April 25, 2026
বিয়ে বন্ধের যাদু এবং এর বাস্তব প্রভাব ও পরিত্রান।
April 30, 2026
রিযিকে বাধার যাদু কী? এবং কিভাবে ইহার প্রভাব পতিত হয় এবং রিযিক বৃদ্ধি করার পদ্ধতি।
April 25, 2026
বিয়ে বন্ধের যাদু এবং এর বাস্তব প্রভাব ও পরিত্রান।
April 30, 2026

ছিটানো জাদু (سحر المرشوش): লক্ষণ, বাস্তবতা ও করণীয়-

ছিটানো জাদু (سحر المرشوش): লক্ষণ, বাস্তবতা ও করণীয়

রুকইয়াহর ক্ষেত্রে এমন একটি জাদুর কথা প্রায়ই শোনা যায়, যাকে বলা হয় “সিহরুল মারশূশ” (سحر المرشوش)-

অর্থাৎ ছিটানো জাদু। এটি এমন এক ধরনের জাদু যা কোনো বাড়ির দরজার সামনে, দোরগোড়ায়, উঠানে বা নির্দিষ্ট স্থানে ছিটিয়ে রাখা হয়, যাতে লক্ষ্য ব্যক্তি অজান্তেই এর সংস্পর্শে আসে।

প্রথমে এই জাদুর ধারণাটি বোঝা দরকার।

প্রথমত: সিহরুল মারশূশ কী,-

অর্থাৎ কোনো জাদুকর মাটি, গুঁড়া, পানি বা কাদার মতো কোনো বস্তুতে তাবিজ, মন্ত্র বা বিশেষ কাজ মিশিয়ে সেটিকে কোনো বাড়ির দরজার সামনে, দোরগোড়ায় বা লক্ষ্য ব্যক্তির ঘরে ছিটিয়ে দেয়। এরপর যখন সেই ব্যক্তি সেখানে হাঁটে বা তার পা সেই স্থানের সাথে স্পর্শ করে, তখন সেই জাদুর প্রভাব তার উপর পৌঁছায়-এমনটাই বলা হয়।

মূল ধারণা হলো-এই প্রভাবটি শারীরিক স্পর্শের মাধ্যমে মানুষের শরীর ও মনে প্রবেশ করে।

দ্বিতীয়ত: সাধারণত যেসব উদ্দেশ্যে এটি করা হয়

১. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ বা শত্রুতা সৃষ্টি করতে

২. বন্ধ্যাত্ব বা বিয়ে আটকে দেওয়ার জন্য

৩. অসুস্থতা ও দুর্বলতা সৃষ্টি করতে

৪. কাউকে নিয়ন্ত্রণ বা বাধ্য করার জন্য

তৃতীয়ত: এটি কীভাবে কাজ করে-এমন ধারণা প্রচলিত আছে

আধ্যাত্মিক শক্তির ধারণা অনুযায়ী বলা হয়-

জাদুমিশ্রিত বস্তু স্পর্শ করলে মানুষের শক্তিক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।

এরপর সেই প্রভাব ধীরে ধীরে শরীর ও মনে প্রভাব সৃষ্টি করে।

অনেক সময় বিশেষ পরিস্থিতিতে (রাগ, দুঃখ, ঘুম ইত্যাদি) এর প্রভাব বেশি প্রকাশ পায়।

চতুর্থত: ছিটানো জাদুর লক্ষণ

১. শারীরিক লক্ষণ (অনেক সময় চিকিৎসাগত কারণ পাওয়া যায় না)

পায়ে অস্বাভাবিক ভারীভাব বা কোমরের নিচে ব্যথা

হঠাৎ পা ঠান্ডা বা গরম হয়ে যাওয়া

পায়ের পাতায় সূচ ফোটার মতো ঝিনঝিন

নির্দিষ্ট ঘর বা বাড়িতে ঢুকলেই ক্লান্তি অনুভব করা

২. মানসিক লক্ষণ

কোনো ব্যক্তি বা জায়গার প্রতি হঠাৎ অকারণ বিরক্তি

কোনো নির্দিষ্ট স্থানে গেলেই মন খারাপ বা বিষণ্নতা

বারবার অদ্ভুত চিন্তা বা কুমন্ত্রণা

৩. আধ্যাত্মিক লক্ষণ

স্বপ্নে বারবার রাস্তা, দরজা বা ভেজা মাটি দেখা।

দরজার কাছে ছায়া বা অদ্ভুত উপস্থিতির অনুভূতি।

জিনের প্রতিক্রিয়া হঠাৎ বেড়ে যাওয়া।

পঞ্চমত: কোনো জায়গায় ছিটানো জাদু থাকার সম্ভাব্য কিছু চিহ্ন

কিছু প্রাচীন গ্রন্থে যেমন “منبع أصول الحكمة” ও “عزائم الملوك”-এ উল্লেখ করা হয়েছে-

মাটিতে অদ্ভুত দাগ বা রেখা দেখা।

অস্বাভাবিক গন্ধ (তীব্র, দুর্গন্ধ বা অদ্ভুত মিষ্টি গন্ধ)

অস্বাভাবিক সাদা বা কালো গুঁড়া।

বিড়াল বা কুকুর সেই জায়গা এড়িয়ে চলা।

সেখানে গেলে হঠাৎ মাথা ঘোরা বা মাথাব্যথা হওয়া।

ষষ্ঠত: আরবের কিছু রাক্বিরা যেভাবে পরীক্ষা করার চেষ্টা করেন

১. পানি ও লবণ

লবণ মিশ্রিত পানি সেই জায়গায় ছিটিয়ে দিলে যদি রং বা গন্ধ বদলায়, কেউ কেউ এটাকে অস্বাভাবিক বলে মনে করেন।

২. মিসক বা গোলাপজল

সুগন্ধি পানি ছিটিয়ে পরিবেশের পরিবর্তন লক্ষ্য করা।

৩. রুকইয়াহ তিলাওয়াত

সুরা পড়ার সময় জায়গার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা।

সপ্তমত: একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

ছিটানো জাদু সন্দেহ হলে অজ্ঞতাবশত সেটিকে হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করা ঠিক নয়। অনেক সময় মানুষ না বুঝেই সমস্যাকে বাড়িয়ে ফেলে। বরং সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হলো-আল্লাহর যিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও শরয়ী রুকইয়াহ।

অষ্টমত: কিছু সংখ্যার সাথে জাদুর সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়

কিছু লোক বিভিন্ন সংখ্যাকে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের সাথে যুক্ত করে থাকে-

৯ : বিচ্ছেদ বা সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য

৭ : অসুস্থতা ও দুর্বলতার জন্য

৫ : বন্ধ্যাত্ব বা বিয়ে বন্ধ করার জন্য

৩ : নিয়ন্ত্রণ বা বাধ্য করার জন্য

নবমত: প্রতিরোধের একটি সহজ উপায়

কেউ যদি সন্দেহজনক কিছু দেখতে পান, তাহলে পরিষ্কার পানিতে আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, সূরা নাস এবং সূরা বাকারা শেষের আয়াতগুলো পড়ে সেই পানি জায়গাটিতে ছিটিয়ে দিতে পারেন এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে পারেন।

রুকইয়াহ: ছিটানো জাদুর নষ্টের দোয়া।

এগুলো নিয়মিত পড়ে পানিতে ফু দিয়ে সেই পানি গোসলের পানির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।

খাবারের পানির সাথেও ব্যবহার করবেন।

হে আল্লাহ, ঘরবাড়িতে ছিটানো সব জাদু বাতিল করে দিন

(وَإِذْ جَعَلْنَا الْبَيْتَ مَثَابَةً لِلنَّاسِ وَأَمْنًا وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ۖ وَعَهِدْنَا إِلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ أَنْ طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ)

[سورة البقرة 125]

হে আল্লাহ, আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীদের দ্বারা ছিটানো সব জাদু বাতিল করে দিন

(فِيهِ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ مَقَامُ إِبْرَاهِيمَ ۖ وَمَنْ دَخَلَهُ كَانَ آمِنًا ۗ وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا ۚ وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ)

[سورة آل عمران 97]

হে আল্লাহ, পুরোনো ছিটানো সব জাদু বাতিল করে দিন

(وَإِذْ بَوَّأْنَا لِإِبْرَاهِيمَ مَكَانَ الْبَيْتِ أَنْ لَا تُشْرِكْ بِي شَيْئًا وَطَهِّرْ بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْقَائِمِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ)

[سورة الحج 26]

হে আল্লাহ, কাপড়ের উপর করা ছিটানো জাদু বাতিল করে দিন

(بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ * قُمْ فَأَنْذِرْ * وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ * وَثِيَابَكَ فَطَهِّرْ)

[سورة المدثر 1 – 4]

হে আল্লাহ, জিনিসপত্রের উপর ছিটানো জাদু বাতিল করে দিন

(أَلَهُمْ أَرْجُلٌ يَمْشُونَ بِهَا ۖ أَمْ لَهُمْ أَيْدٍ يَبْطِشُونَ بِهَا ۖ أَمْ لَهُمْ أَعْيُنٌ يُبْصِرُونَ بِهَا ۖ أَمْ لَهُمْ آذَانٌ يَسْمَعُونَ بِهَا ۗ قُلِ ادْعُوا شُرَكَاءَكُمْ ثُمَّ كِيدُونِ فَلَا تُنْظِرُونِ)

[سورة اﻷعراف 195]

হে আল্লাহ, যে জাদুর উপর আক্রান্ত ব্যক্তি পা দিয়েছে তা বাতিল করে দিন

(ارْكُضْ بِرِجْلِكَ ۖ هَٰذَا مُغْتَسَلٌ بَارِدٌ وَشَرَابٌ)

[سورة ص 42]

বিসমিল্লাহ – পা থেকে জাদু ও তার খাদেম বের হয়ে যাক

(وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَابًا مِنَ السَّمَاءِ فَظَلُّوا فِيهِ يَعْرُجُونَ * لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ)

[سورة الحجر 14 – 15]

হে আল্লাহ, একাধিক ব্যক্তি বা পুরো পরিবারের উপর করা যৌথ জাদু বাতিল করে দিন

(وَجَعَلْنَا عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ أَكِنَّةً أَنْ يَفْقَهُوهُ وَفِي آذَانِهِمْ وَقْرًا ۚ وَإِذَا ذَكَرْتَ رَبَّكَ فِي الْقُرْآنِ وَحْدَهُ وَلَّوْا عَلَىٰ أَدْبَارِهِمْ نُفُورًا)

[سورة اﻹسراء 46]

বিসমিল্লাহ – শাইত্বান ও জাদুর খাদেমদের দূর করে দাও

(أَفَسِحْرٌ هَٰذَا أَمْ أَنْتُمْ لَا تُبْصِرُونَ)

[سورة الطور 15]

বিসমিল্লাহ – গোপনে ছিটানো সব জাদু বাতিল হয়ে যাক

(قَالُوا سِحْرَانِ تَظَاهَرَا وَقَالُوا إِنَّا بِكُلٍّ كَافِرُونَ)

[سورة القصص 48]

হে আল্লাহ, বহু জমে থাকা জাদু ধ্বংস করে দিন

(بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ * وَإِنْ يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُسْتَمِرٌّ)

[سورة القمر 1 – 2]

হে আল্লাহ, যে জাদু বারবার নতুন করে করা হয় তা বাতিল করে দিন

(ثُمَّ نَظَرَ * ثُمَّ عَبَسَ وَبَسَرَ * ثُمَّ أَدْبَرَ وَاسْتَكْبَرَ * فَقَالَ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ يُؤْثَرُ)

[سورة المدثر 21 – 24]

হে আল্লাহ, চিহ্ন বা অবশিষ্ট প্রভাবের জাদু বাতিল করে দিন

(وَأَمَّا الْجِدَارُ فَكَانَ لِغُلَامَيْنِ يَتِيمَيْنِ فِي الْمَدِينَةِ)

[سورة الكهف 82]

হে আল্লাহ, দেয়ালের উপর করা জাদু বাতিল করে দিন

(فِي بُيُوتٍ أَذِنَ اللَّهُ أَنْ تُرْفَعَ وَيُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ يُسَبِّحُ لَهُ فِيهَا بِالْغُدُوِّ وَالْآصَالِ)

[سورة النور 36]

বিসমিল্লাহ – ঘরবাড়ি ও পরিবারের জাদু বাতিল হয়ে যাক

(مَثَلُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِ اللَّهِ أَوْلِيَاءَ كَمَثَلِ الْعَنْكَبُوتِ اتَّخَذَتْ بَيْتًا ۖ وَإِنَّ أَوْهَنَ الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنْكَبُوتِ ۖ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ)

[سورة العنكبوت 41]

হে আল্লাহ, শাইত্বানদের ঘর ধ্বংস করে দিন

(وَمَنْ يَخْرُجْ مِنْ بَيْتِهِ مُهَاجِرًا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ يُدْرِكْهُ الْمَوْتُ فَقَدْ وَقَعَ أَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ ۗ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا)

[سورة النساء 100]

বিসমিল্লাহ – ঘরের জাদু পুড়ে যাক

(إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا)

[سورة اﻷحزاب 33]

বিসমিল্লাহ – যে জাদু পরিবারে সমস্যা সৃষ্টি করেছে তা বাতিল হয়ে যাক

(قَالَ رَجُلَانِ مِنَ الَّذِينَ يَخَافُونَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمَا ادْخُلُوا عَلَيْهِمُ الْبَابَ فَإِذَا دَخَلْتُمُوهُ فَإِنَّكُمْ غَالِبُونَ ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ)

[سورة المائدة 23]

বিসমিল্লাহ – দরজার উপর করা সব জাদু বাতিল হয়ে যাক

(وَإِذْ قُلْنَا ادْخُلُوا هَٰذِهِ الْقَرْيَةَ فَكُلُوا مِنْهَا حَيْثُ شِئْتُمْ رَغَدًا وَادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُولُوا حِطَّةٌ نَغْفِرْ لَكُمْ خَطَايَاكُمْ ۚ وَسَنَزِيدُ الْمُحْسِنِينَ)

[سورة البقرة 58]

বিসমিল্লাহ – ঘরের দোরগোড়ায় ছিটানো জাদু বাতিল হয়ে যাক

(وَإِنِّي كُلَّمَا دَعَوْتُهُمْ لِتَغْفِرَ لَهُمْ جَعَلُوا أَصَابِعَهُمْ فِي آذَانِهِمْ وَاسْتَغْشَوْا ثِيَابَهُمْ وَأَصَرُّوا وَاسْتَكْبَرُوا اسْتِكْبَارًا)

[سورة نوح 7]

ছিটানো জাদুর ক্ষেত্রে বিশেষ পানির ব্যবহার

আমাদের অভিজ্ঞতার আলোকে পেশেন্টদের একটি সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলে থাকি।

একটি বালতি বা বড় পাত্রে পরিষ্কার পানি নিন।

এরপর সেই পানির উপর আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা ইখলাস, এবং সূরা বাকারা শেষের আয়াতগুলো তিলাওয়াত করুন। এবং প্রত্যেজ সুরা শেষ হলে সেই পানিতে ফুঁ দিবেন।

এরপর সেই পানিতে একমুঠো লবণ, কস্তুরি আতল, গোলাপ জল, ৫০ পিস বরই পাতা পিষে মিশিয়ে নিন।

তারপর সেই পানিতে পা ডুবিয়ে ১৫-২০ মিনিট বসে থাকুন। বিশেষ করে যারা মনে করেন তারা ছিটানো জাদুর স্থানে হেঁটেছেন, তাদের জন্য এটি উপকারী একটি রুকইয়াহ পদ্ধতি হিসেবে অনেকেই ব্যবহার করেন।

শেষে সেই পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিতে পারেন এবং কিছু পানি দরজার সামনে বা সন্দেহজনক স্থানে ছিটিয়ে দিতে পারেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সব ধরনের জাদু, শাইত্বানের কুমন্ত্রণা এবং অদৃশ্য ক্ষতি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।